১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৯শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি



অপরিপক্ক

হামিদা আব্বাসী
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ মার্চ, ২০২১

সূর্য উদয়ের সময়, যদিও সূর্যের দেখা মেলেনি। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ক’দিন ধরে এমনিতে।আজকে আবার একটু বেশি যেনো আধারঁ নেমেছে।

মজিদের আজ শেখের পাড়ায় যাওয়ার কথা।প্রতি বছরের ন্যায় এবারও তাদের গ্রামে মেলা বসেছে।মেলা থেকে মজিদ প্রতিবছরই তার মা মরা ভাগ্না -ভাগ্নের জন্য খেলনা কিনে।এবারও কিনেছে।

আজ সকাল সকাল ই মজিদ ঘুম থেকে উঠল।সে একটামাত্র ছোট মামা তার ভাগ্না-ভাগ্নের।ওরা অপেক্ষা করতেছে মনে হয়–মামা কখন আসবে খেলনা নিয়ে।মজিদ এসব ভেবে পথে রওনা দিছে।

শেখের পাড়ায় তার বড় বোন রুজিনাকে ছয় বছর আগে বিয়ে দেওয়া হইছিল কম বয়সে।তখন মজিদ নয় বছরের ছিল।এখন তার বোন নাই।তবে দুইটা জমজ ছেলেমেয়ে আছে।

অল্পবয়সে বিয়ের দরুন, তার প্রাণবিয়োগ হইছে অনেকেরই কথা।মজিদ ও তাই বিশ্বাস করে।মজিদ ঠিক করছে সে নিজে কম বয়সের মেয়েকে বিয়ে করবে না।এবং তার ভাগ্নীকে কম বয়সে বিয়ে দেবে না।মজিদ এসব ভেবে শেখের পাড়ায় গিয়ে উপস্থিত।

অনেকদিন পর মজিদ এসেছে।তার ভাগ্না -ভাগ্নীকে দেখার জন্য।তারা সবাই খুশি ছোট মামাকে দেখে।

বাদল,কিরে এত খুশি দেখাচ্ছে যে তোরে?

বাবা, ছোটমামা আসছেন, অনেক খেলনা নিয়ে। বাদল তার বাবাকে সব বলে।বাপ-ছেলের কথা হয় বাড়ির প্রবেশ পথের গলিতে।

পরদিন সন্ধ্যেবেলা, বাদলদের প্রতিবেশীর ঘরে হইচই, কান্না শোনা যায়, বাদল, তার বাবা ও মামা সবাই দৌড়ে যায় ঘটনা কি জানতে!

দু’বছর হল বাদলদের প্রতিবেশী রুমন তালুকদারের সাথে বিয়ে হয়েছে নাজিয়া’র। বিয়ের সময় নাজিয়ার বয়স ছিল চৌদ্দ বছর, আর রুমনের বয়স ছিল সাতাশ বছর।

বিয়ের কয়েক মাস পরই সে প্রেগনেন্ট হয়, আজ তার ডেলিভারির সময়, সে ব্যথা সৈহ্য করতে না পেরে বটি দা হাতে নিয়েছে এ খবর শুনে প্রতিবেশীরা সবাই রুমন তালুকদারের আঙিনায় ভিড় জমিয়েছে ।

গল্পকারঃ হামিদা আব্বাসী






এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ





















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k