৩রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ ১৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ২০শে মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি



আরমানিটোলায় আগুন, ভবন ও গুদাম মালিকদের বিরুদ্ধে মামলা

কুশিয়ারা ভিউ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১

রাজধানীর বংশালের আরমানিটোলার হাজি মুসা ম্যানসনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ভবন এবং একাধিক রাসায়নিকের গুদামের মালিকের নামে মামলা করেছে বংশাল থানা পুলিশ।

ভুক্তভোগী কেউ না আসায় শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) রাতে পুলিশ বাদী হয়ে ভবন মালিক ও রাসায়নিক গুদামের মালিকদের বিরুদ্ধে এ মামলা করে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে বংশাল থানা ওসি শাহীন ফকির বলেন, অবহেলাজনিত মৃত্যু ও অবৈধভাবে রাসায়নিক দ্রব্য রাখার দায়ে ভবন মালিক মোস্তাক আহমেদসহ গোডাউন মালিকদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা অপেক্ষা করেছিলাম যে, অগ্নিকাণ্ডে ভুক্তভোগীদের কেও মামলা করে কি না। কিন্তু কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ আসেনি।

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে হাজী মুসা ম্যানশন নামের ভবনটির নিচতলায় আগুন লাগে। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টার পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট প্রায় ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়। আহত ২১ জনের মধ্যে চারজন আইসিইউতে আছেন। ১ জন চিকিৎসা নিয়ে চলে গেলেও ১৬ জন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন। তাদের সবার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসক। তাদের অবস্থাও সংকটাপন্ন।

অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীনরা হলেন, আশিকুজ্জামান (৩৩), তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহান মুনা (৩০), শ্বশুর ইব্রাহিম সরকার (৬০), শাশুড়ি সুফিয়া বেগম (৫০), শ্যালক জুনায়েদ (২০), ইউনুস মোল্লা (৬০), সাকিব হোসেন (৩০), সাখাওয়াত হোসেন (২৭), সাফায়েত হোসেন (৩৫), চাষমেরা বেগম (৩৩), দেলোয়ার হোসেন (৫৮), আয়সাপা (২), খোরশেদ আলম (৫০), লায়লা বেগম (৫৫), মোহাম্মদ ফারুক (৫৫), মেহেরুন্নেসা (৫০), মিলি (২২), পাবিহা (২৬), আকাশ (২২) ও আসমা সিদ্দিকা (৪৫)।

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ











All Bangla Newspapers



অনলাইনে বাংলাদেশের সকল পত্রিকা পড়ুন…
















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত২০২২ কপিরাইট © কুশিয়ারা ভিউ টোয়েন্টিফোর ডটকম
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k