৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি



কুড়িগ্রামে ধরলাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি

কুশিয়ারা ভিউ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১

উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির ফলে প্লাবিত হয়েছে ধরলা অববাহিকায় নিম্নাঞ্চলগুলো। তলিয়ে গেছে এসব এলাকার রোপা আমন ক্ষেতসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেত।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউপি বাসিন্দা আফসার আলী জানান, বর্ষার ভরা মৌসুমে বন্যা না হওয়ায় জমিতে আমন লাগিয়েছি। সেই আমন পানির নিচে। শেষ সময়ে এসে হঠাৎ করে ধরলার পানি বাড়লো। এই পানি যদি দু-একদিনের মধ্যে নেমে যায় তো সমস্যা হবে না। আর যদি পানি আরও বেড়ে যায় তাহলে আমন চারা নষ্ট হয়ে যাবে।

অন্যদিকে জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমারসহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও গত ২৪ ঘণ্টায় তা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। এদিকে নদ-নদীর পানি বাড়ার সাথে তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদীর বিভিন্ন স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে।

কবলিত এলাকাগুলোতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, কুড়িগ্রামে সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া তিস্তার পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ২৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, ধরলার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তায় পানি হ্রাস পেতে শুরু করেছে।

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ধরলার পানিও কমতে শুরু করবে বলে জানান তিনি। পানি বাড়া-কমার সাথে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে বলে জানান তিনি।






এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ





















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k