২রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ ১৭ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ১৯শে মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি



দেশবাসীকে শপথ করালেন প্রধানমন্ত্রী

কুশিয়ারা ভিউ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১

 

গৌরবোজ্জ্বল বিজয়ের ৫০ বছরে পা রেখেছে বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের এদিন মুক্তিকামী জনতার কাছে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। ইতিহাসের এই দিনেই দুই পক্ষ বসে বাঙালির বিজয়ের দলিলে সই করে।

বাংলাদেশের বিজয়ের ৫০ বছরপূর্তি এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ প্রতিপাদ্যে আজ বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) দুই দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানমালার শুরুতে বিকেল সাড়ে ৪টায় সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের শপথ করান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় পতাকা হাতে দেশের সর্বস্তরের মানুষ শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে শপথবাক্য পাঠ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠা কন্যা শেখ রেহানা।


 


বিজয় দিবসের দিনে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রী সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের যে শপথ পাঠ করালেন তা হলো:

‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বিশ্বের বুকে বাঙালি জাতি প্রতিষ্ঠা করেছে তার স্বতন্ত্র জাতিসত্তা। আজ বিজয় দিবসে দৃপ্তকণ্ঠে শপথ করছি যে, শহিদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না- দেশকে ভালোবাসবো, দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করবো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে উন্নত, সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা গড়ে তুলবো। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোন।’


শপথ অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী প্রবেশের পরপরই জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেশের আটটি বিভাগের বিভাগীয় জেলা, জেলা ও উপজেলা স্টেডিয়াম ও বিজয় দিবসের নির্ধারিত ভেন্যু থেকে সাধারণ মানুষ জাতীয় পতাকা হাতে শপথ বাক্য পাঠ করেন।

এরপর আধাঘণ্টা বিরতি দিয়ে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। বিরতিতে ‘সাড়ে সাত কোটি মানুষের নেতা মুজিবর…’ গানটি গেয়ে শোনান শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

এরপর শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা। এছাড়া অনুষ্ঠানে সন্ধ্যা ছয়টায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এরপর প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট মো. আবদুল হামিদ খান।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ভারতের রাষ্ট্রপতির হাতে মুজিব চিরন্তন শ্রদ্ধা স্মারক তুলে দেন শেখ রেহানা। এরপর অতিথিরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করবেন এবং সভাপতির বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর দেশবরেণ্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতির অনুষ্ঠান।

 

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ











All Bangla Newspapers



অনলাইনে বাংলাদেশের সকল পত্রিকা পড়ুন…
















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত২০২২ কপিরাইট © কুশিয়ারা ভিউ টোয়েন্টিফোর ডটকম
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k