২রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ ১৭ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ১৯শে মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি



ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের পাঁয়তারা

কুশিয়ারা ভিউ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২২ আগস্ট, ২০২১

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ সরকারি বেগম নুরুন্নাহার তর্কবাগীশ অনার্স কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে বোর্ড নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয়ার পায়তারা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নির্ধারিত বোর্ড ফি-এর চেয়ে ৯০০ টাকারও বেশি ফরম ফিলাপ ফি দাবি করে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সাড়ে ৭ শতাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এই অতিরিক্ত টাকা উত্তোলন করলে যার অংক দাঁড়াবে প্রায় ৭ লাখ টাকা।

এমনকি এসব কারণে এখন পর্যন্ত একজন শিক্ষার্থীরও ফরম ফিলাপ সম্পন্ন হয়নি বলে প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে। যা নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিরাজ করছে অসন্তোষ ও চাপা ক্ষোভ। অনেক শিক্ষার্থী আবার প্রকাশ্যেও জানিয়েছেন এর প্রতিবাদ। প্রতিকার না পেয়ে ফিরে গেছেন অনেকেই। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সরেজমিন গতকাল দুপুরে প্রতিষ্ঠানে গেলে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে মেলে এর সত্যতা।

তবে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. সিরাজুল হক বলেন, এই অতিরিক্ত টাকার মধ্যে প্রতিষ্ঠানের অনেক খরচ আছে। তবে প্রতিটি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া এই ৯ শতাধিক অতিরিক্ত টাকা নির্দিষ্ট কি কি কারণে খরচ করা হবে এর সঠিক কোনো উত্তর দিতে পারেননি তিনি। তবে তিনি এই টাকা নিবেন বলে শিক্ষার্থীদের জানিয়েছেন এমনই কথা বলছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী।

পরীক্ষার্থী মো. শাকিল সরকারসহ আরও কয়েকজন বলেন, বোর্ড ফি ১২শ টাকার মতো হলেও আমাদের ফরম ফিলাপের জন্য ২ হাজার ১২০ টাকা ধরে মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হয়েছে।

এত বেশি টাকা কেন ধরা হয়েছে জানতে অধ্যক্ষ স্যারের কাছে গেলে স্যার বলেন, আমাকে অনেককিছু বাবদ খরচ করতে হয়। এমনকি বাকি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা আমি নিবো বলেও জানান অধ্যক্ষ, এমনই বক্তব্য তাদের।

তারা আরও বলেন, আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি, ফরম ফিলাপে এত টাকা বেশি ধরা মোটেও উচিত নয়। ৭৭৫ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৯০০ টাকা করে বেশি নেয়া এই অতিরিক্ত প্রায় ৭ লাখ টাকা কোথায় যাবে সেটাও জানতে চায় এই শিক্ষার্থীরা।

এবিষয়ে সরকারি বেগম নূরুন্নাহার তর্কবাগীশ অনার্স কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. সিরাজুল হক বলেন, প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কিছু খরচ আছে যার জন্য এই অতিরিক্ত অর্থ ধরা হয়েছে। এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তারিকুল আলম বলেন, এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ইউএনও বলতে পারবেন।

রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাজিবুল আলম বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না আপনার কাছেই শুনলাম। আমি বিষয়টি খোজ নিয়ে দেখবো।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ











All Bangla Newspapers



অনলাইনে বাংলাদেশের সকল পত্রিকা পড়ুন…
















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত২০২২ কপিরাইট © কুশিয়ারা ভিউ টোয়েন্টিফোর ডটকম
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k