২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ ১২ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি



ফেঞ্চুগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান এমরানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার  ৫নং উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমরান উদ্দিনের বিরুদ্ধে ভূমি আত্মসাতের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মানিককোনা গ্রামের বেলা বেগম।

রোববার (১৪মার্চ) বিকালে ফেঞ্চুগঞ্জ প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বেলা বেগমের ছেলে মনিরুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সুলতানপুর মৌজার জেএল ২৫- সাবেক খতিয়ান যাহা এস/এ খতিয়ান নং- ৩৩৮/১৫০/১৫ সাবেক দাগ নং ২৩৩১,সাবেক ডিপি বর্তমান আরএস খতিয়ান নং ১১৪, হাল দাগ নং- ৩৫৮৩ তাতে আমার মৌরশী সম্পত্তি ০.০৮ শতক যার মৌরশী দলিল নং ১৪৭৪,৫০৩৩। আমি উত্তরাধিকারী সুত্রে এবং ৮৮১ নং দলিলে ১৮ শতক ভুমি আমার মায়ের কাবিনের। গত ৩বছর আগে আমার মায়ের কাবিনের ভূমিতে ৫নং উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমরান উদ্দিন অস্থায়ী কার্যালয় করার জন্য আমার কাছ থেকে ৫হাজার টাকা মাসিক ভাড়া হিসাবে ভাড়া নিয়ে দুই মাস ভাড়াও দেন। পরবর্তী তিনি এই ভূমি নিজের নামে করে নিতে জাল দলিল বানিয়ে জোর পুর্বক দখল নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে আপত্তি দিলে তিনি তা অমান্য করে হুমকি দেন।

পরে গত ১লা মার্চ ২১ সালে ভূমিখেকো হিসাবে পরিচিত চেয়ারম্যান এমরান উদ্দিন ও সেলিম মিয়া গং রা অজ্ঞাতনামা কিছু লোকজন নিয়ে বর্নীত ভূমিতে পাকাঘর নির্মান করতে যান। আমি খবর পেয়ে বাধা প্রদান করতে গেলে বিবাদীগন দেশী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তেড়ে আসলে স্থানীয় লোকজন আমাকে উদ্ধার করেন।এ সময় চেয়ারম্যান এমরান উদ্দিন আমাকে হুমকি দিয়ে চলে যান।

 

পরে আমি গত ৪/০৩/২১ তারিখে মহামান্য অতিরিক্ত জেলা হাকিম আদালত সিলেটের সরনাপন্ন হলে আদালত আমার আর্জি শুনে ফেঞ্চুগঞ্জ বিবিধ মামলা নং- ১১/২০২১ লিপিবদ্ধ করে কাঃবিঃ ১৪৪ ধারা বিধানমতে এমরান উদ্দিন ও সেলিম মিয়া গংদের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ওসি ফেঞ্চুগঞ্জ কে আদেশ প্রদান করেন।

 

কিন্তু চেয়ারম্যান এমরান উদ্দিন ও সেলিম মিয়া গংরা  ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ৫/৩/২১ তারিখে আবার নির্মান কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ থানার এসআই রাজেন্দ্রের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উল্লেখ করে কাজ বন্ধ করান।পরবর্তী আবারো গত ৯ই মার্চ ২০২১ তারিখ ভোরবেলা তারা আবার উল্লেখিত ভূমিতে দখল করতে যান।

খবর পেয় আমি ফেঞ্চুগঞ্জ থানার সাথে যোগাযোগ করতে না পেরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল করে ঘটনা জনাই। ৯৯৯ থেকে ওসি ফেঞ্চুগঞ্জ কে সংযুক্ত করলে ওসি জানান এখানে আদালতের ১৪৪ ধারা জারি বলে জানান।

এরপর ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছে সত্যতা পান এবং এমরান উদ্দিন গংদের ভুমি থেকে চলে যেতে বলেন। মহামান্য আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমার মায়ের কাবিনের জায়গা জোরপূর্বক দখল চেষ্টায় লিপ্ত  ও আমাকে হত্যার হুমকি ও আমার পরিবারকে নানা ভাবে বিভিন্নভাবে হয়রানি করায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। নিজের কাবিনের জায়গা হারানোর চিন্তায় আমার মা চিন্তিত। তিনি হার্ট অ্যাটাক করে স্বাস্থ্যের অবনতি ও বিপদ ঘটতে পারে। আমার মৌরশি ও মায়ের কাবিনের জায়গা উদ্ধারে আমি ফেঞ্চুগঞ্জ ও দেশবাসীর সহযোগীতা চাই।

 

 

 

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ











All Bangla Newspapers



অনলাইনে বাংলাদেশের সকল পত্রিকা পড়ুন…
















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত২০২২ কপিরাইট © কুশিয়ারা ভিউ টোয়েন্টিফোর ডটকম
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k