১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ৩০শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ২৫শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি



বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সবসময় সজাগ ও দূরদর্শী ছিলেন বঙ্গমাতা

কুশিয়ারা ভিউ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য জাতির পিতার সঙ্গে আমার মাও একই স্বপ্ন দেখতেন। এ দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাক, ভালোভাবে বাঁচুক এ প্রত্যাশা নিয়েই বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তিনি সবসময় সজাগ ও দূরদর্শী ছিলেন।  

আজ রবিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে গণভবন থেকে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব-এর ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন’ ও ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক-২০২১ বিতরণ’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানের অপরপ্রান্ত রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন ও গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়। এ সময় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা পদক বিতরণ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একজন সাধারণ বাঙালি নারীর মতো স্বামী-সংসার, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ব্যস্ত থাকার পরও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠনে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি আমি। বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীর এবারের প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গমাতা সংকটে সংগ্রামে নির্ভীক সহযাত্রী’ যথার্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি যেখানে বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে সর্বক্ষণের সহযোগী ও অনুপ্রেরণাদায়ী এই মহীয়সী নারীর কর্মময় জীবনের প্রকৃত অর্থ প্রতিফলিত হয়েছে। আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাত্র ৩ বছর বয়সে বাবা এবং ৫ বছর বয়সে মাকে হারান। এরপর বঙ্গবন্ধুর পিতা-মাতার কাছে লালিত-পালিত হন তিনি। চাচাত ভাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সঙ্গে তার দাদা বিয়ে দেন তাকে।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে দেশ ও জাতি গঠনে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন। আমি বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

এর আগে সকালে বনানী কবরস্থানে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কবরে ফুলেল শ্রদ্ধা জানায় আওয়ামী লীগ। দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এতে নেতৃত্ব দেন। যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতারাও বঙ্গমাতার কবরে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন।

কুশিয়ারাভিউ২৪ডটকম/৮ আগস্ট, ২০২১/সামাদ






এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ





















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k