১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি



রাত পোহালেই সিলেট ৩ আসনে ভোটের লড়াই

ছামি হায়দার
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সিলেট ৩ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। আগামীকাল ৪ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলবে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে শেষ হয়েছে ভোটের প্রস্তুতি। ভোটকেন্দ্রে ইভিএমসহ পৌছেছে নির্বাচনী সরঞ্জাম। টহল দিচ্ছে সেনা সদস্য, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এবার প্রথম বারের মতো এই আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে ভোট নেওয়া হবে। প্রায় দুই মাসের প্রচারণা থেমেছে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায়। প্রচারণা চলাকালে ভোটারদের আকৃষ্ট করতে প্রার্থীরা প্রতিশ্র“তির ডালি মেলে ধরেছেন।

তবে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে কিছু এলাকার ভোটার ও প্রার্থীদের মনে রয়েছে শঙ্কাও। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা নিজ নিজ দলের পক্ষে থেকে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা তৈরি করেছেন। বেশির ভাগ প্রার্থী নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন। তাঁরা মনে করছেন প্রতিপক্ষ প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা কেন্দ্র দখল, প্রার্থীদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাঁধা দেওয়াসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারেন। প্রত্যেক প্রার্থীই প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা থাকলে নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

সূত্র জানায়, আসনটির অন্তত ৬০ ভাগ ভোটার এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থীকেই প্রকাশ্যে সমর্থন জানাননি। শেষ পর্যন্ত তারা ভোট দিতে যাবেন কি না তা নিয়েও রয়েছে সংশয়। ‘মুখবন্ধ’ এসব ভোটার নিয়ে প্রার্থীরাও রয়েছেন মহা টেনশনে। ভোট দিতে গেলে তারা কাকে দেবেন- এ নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। ‘নীরব ভোটার’রা ভোটবিপ্লব ঘটাতে পারেন এমন আশঙ্কায় রয়েছেন প্রার্থীরা।

তবে রাজনীতি সচেতন মহলের ধারণা, শেষ পর্যন্ত নির্বাচন ঘিরে নীরব থাকা এসব ভোটার ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ারই আশঙ্কা বেশি।

দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-৩ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার।

 

এ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ে আছেন চারজন প্রার্থী। তারা    হলেন-হাবিবুর রহমান (নৌকা), আতিকুর রহমান (লাঙ্গল), শফি আহমদ চৌধুরী (মোটরগাড়ি) ও জুনায়েদ মুহাম্মদ মিয়া (ডাব)।

এদিকে উপ নির্বাচনে কোথাও কোনো ভিতীকর পরিবেশ নেই জানিয়ে সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সল কাদের বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এবং প্রতিটি উপজেলায় একজন করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নির্বাচনের দিন দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া প্রত্যক ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের ১৭ থেকে ১৮ জন সদস্য থাকবে। আর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে অস্ত্রসহ ১৮ থেকে ১৯ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে গঠিত মোবাইল ফোর্স ২১টি, স্ট্রাইকিং ফোর্স ১২টি, র‌্যাবের ১২টি টিম ও ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে। ২ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবে।

প্রসঙ্গত, এ বছরের ১১ মার্চ সিলেট-৩ আসনের সরকার দলীয় এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে ১৫ মার্চ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। করোনা পরিস্থিতির কারণে একদফা পিছিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণের তারিখ ধার্য্য করে ইসি।






এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ





















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k