২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ৬ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ২রা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি



শফি চৌধুরীকে ‌‌‌‌ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন  বিএনপি নেতা জামাল

কুশিয়ারা ভিউ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ জুন, ২০২১


দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতা শফি আহমেদ চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।  

দল থেকে বহিস্কার হবার পর একটি অনলাইন ভিত্তিক চ্যানেলের সাথে সরাসরি স্বাক্ষাতকারে শফি আহমদ চৌধুরী নিজ দলের কয়েকজন নেতাকর্মী সম্পর্কে মন্তব্য করে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে তা নজরে আসে দলীয় নেতাকর্মীদের।

এবার নিজ দলের নেতাকর্মীদের সম্পর্কে মন্তব্য করে বেকায়দায় পড়েছেন সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সদ্য বহিস্কৃত কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা শফি আহমদ চৌধুরী।

এদিকে বহিস্কৃত কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা শফি আহমদ চৌধুরী নিজ দলের কয়েকজন নেতাকর্মী সম্পর্কে মন্তব্য করার প্রেক্ষিতে আজ সোমবার (২১ জুন) সকালে সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল আহাদ খান জামাল নিজের ফেসবুকে শফি আহমদ চৌধুরীকে ওপেন চ্যালেঞ্জ করে একটি স্ট্যাটাস দেন।
যা মূহুর্তেই ভাইরাল হয়।

কুশিয়ারা ভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম’র পাঠকের জন্য স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো


‘নিজের বক্তব্য প্রমানের জন্য শফি চৌধুরীকে ওপেন চ্যালেঞ্জ ও আমার কৈফিয়ত।

নির্বাচন বর্জনের দলীয় সিদ্বান্ত অমান্য করে সিলেট – ৩ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে ইতিমধ্যে বহিষ্কৃত শফি চৌধুরীর একটি বক্তব্য ( ভিডিও বার্তা) আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই বক্তব্যের জবাব দেওয়ার তেমন কোনো ইচ্ছা কিংবা রুচি আমার ছিলোনা।

এ ব্যাপারে বক্তব্য প্রদানের জন্য ব্যক্তিগত ভাবে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম্যে অনেকের অনুরুধ ও আদর্শিক রাজনৈতিক মোকাবেলায় ব্যর্থ কতিপয় মানুষের অতি উৎসাহি মনোভাবের কারনে আমার এই বক্তব্য / ব্যাখ্যা প্রদান। কাউকে আঘাত করা, হেয় করা, ছোট করা, কষ্ট দেওয়া কিংবা নিজের পক্ষে সাফাই গাওয়া আমার উদ্দেশ্য নয় বরং প্রকৃত সত্যটা তুলে ধরাই আমার মুখ্য উদ্দেশ্য এবং আমি তা তুলে ধরলাম।

যদি সৎ সাহস থাকে তাহলে আমার এই বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিবেন শফি চৌধুরী এবং তিনি যে জায়গায় যাদের নিয়ে বসতে চাইবেন সেখানে তার সাথে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমি প্রস্তুত।

এ ব্যাপারে আমার বক্তব্য অত্যন্ত পরিষ্কার যে, শফি চৌধুরী দলের সিদ্বান্ত অমান্য করে নির্বাচনে আংশ নিয়ে বিএনপির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করায় এবং আাওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হওয়ায় দলের তৃনমূল নেতাকর্মীর ন্যায় একজন দায়িত্বশীল কর্মি হিসাবে আমি তার উপর অসন্তুষ্ট হয়ে তার এই কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করে ফেসবুকে একটা ষ্টেটাস দেই।

যা ভাইরাল হয় এবং নেতাকর্মীরা তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠলে তিনি আমার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হন। এছাড়া আরেকটি ঘটনায় তিনি ক্ষিপ্ত আমার উপর সেটি হচ্ছে বিগত প্রহসনের জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সাহেবের নির্দেশে সিলেটের সব কয়টি আসনের প্রার্থী ও সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে নিয়ে পর্যালোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সেখানে জানতে চাওয়া হয় নির্বাচনের পর নিহত, আহত ও মামলা হামলায় জর্জরিত নেতাকর্মীদের খোঁজখবর ও দেখভাল করছেন কিনা সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রার্থীরা। আমি আমার বক্তব্যে সেদিন নিজের নির্বাচনী এলাকার প্রার্থী শফি চৌধুরীর নির্বাচনের পরদিন এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়া, মামলা হামলায় জর্জরিত ও কারাবন্দী নেতাকর্মীদের খোঁজখবর না নেওয়া এবং নির্বাচনের দিন পুলিশের গুলিতে নিহত বালাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ সায়েম সোহেলের পরিবারের পাশে না দাঁড়ানোর অভিযোগ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং তার বক্তব্যের সময় তিনি সব কিছু দেখভাল করছেন বলে মিথ্যাচার করলে আমি তার প্রতিবাদ করি।

এসময় তার সাথে আমার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হলে এক পর্যায়ে তিনি আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে সভাস্থল ত্যাগ করেন। যার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ এজেড এম জাহিদ হোসেন সহ নেতৃবৃন্দ।

সিলেট ৩ আসনের নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মীরা যাতে অতি আবেগী হয়ে শফি চৌধুরীর সাথে না যায় নেতাকর্মীদের সাথে আমার এই যোগাযোগের বিষয় ও ফেসবুকে আামার ষ্টেটাসের বিষয়টি তাকে অবহিত করলে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি অন্যান্য নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে বিষোদগারের সময় পাশে থাকা কতিপয় চামচারা বলে দেওয়ার প্রেক্ষিতে আমাকেও আলী ভাইকে জড়িয়ে তিনি কিছু আপত্তিকর ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বিবর্জিত কথা বলেন।

অবশ্য তার মতো বয়োবৃদ্ধ ও রাজনৈতিক কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষের কাছ থেকে এর চেয়ে ভালো কিছু ( আমরা যারা তাকে চিনি) আশা করা যায়না। বক্তব্যটি আমি একাধিকবার শুনে বুঝার চেষ্টা করেছি তিনি আমার সম্পর্কে কি বলতে চেয়েছেন,যদিও তা পরিষ্কার নয়। তিনি বলেছেন আমি তার বাসায় ও অফিসে একাধিকবার গিয়েছি এবং উপকৃত হয়েছি। তিনি আমার কাছ থেকে এ ধরনের লেখালেখি আশা করেননি এবং তিনি দুঃখ পেয়েছেন।

এ ব্যাপারে আমার বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্ট নির্বাচনে অংশ গ্রহন ও নেতাকর্মীদের সাথে তার বিমাতাসুলভ আচরনে আমরাও মর্মাহত হয়েছি, কষ্ট পেয়েছি। আমার বক্তব্য পরিষ্কার একজন রাজনৈতিক সহকর্মীর বাসাবাড়িতে যাওয়াটাই স্বাভাবিক বরং না যাওয়াটাই অস্বাভাবিক। তার বাসাবাড়িতে গিয়েছি এবং তিনি আমাদের গেলে আপ্যায়ন করিয়েছেন এটাও সত্য।

তবে তার নির্বাচনী কার্যক্রম, দাওয়াত ও রাজনৈতিক কারন ব্যতীত তার বাসা বাড়িতে কখনো গিয়েছি সেটা তিনি বলতে পারবেন না। তার ঢাকার বাসার উল্টো বাসায় আমার বড় মামা ( বিজেএমসির তৎকালীন চেয়ারম্যান) থাকতেন এবং সেই বাসায় আমি দীর্ঘদিন থাকার কারনে মাঝেমধ্যে শফি ভাইয়ের সাথে আমার দেখা হতো। শফি সাহেবের ব্যবসায়ীক অফিসে আমি কোনোদিন গিয়েছি বলে আমার মনে নেই এবং সেটা তিনি প্রমান করতে পারবেননা।

আমি ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলতে চাই আমার দীর্ঘ আড়াই যুগের এই রাজনৈতিক জীবনে মিঃ শফি চৌধুরী কতৃক আমি কোনো অর্থনৈতিক, ব্যবসায়ীক ও রাজনৈতিক ( বরং রাজনীতিতে তিনি আমাদের দ্বারা ব্যানিফিশিয়ারি) ব্যানিফিশিয়ারি নই। যদি তিনি প্রমান করতে পারেন তিনি আমাকে কোনো টাকা পয়সা অনুদান কিংবা কর্জ দিয়েছেন, ব্যবসায়ীক কোনো সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন অথবা রাজনৈতিক ভাবে কোনো সহযোগীতা করেছেন তাহলে আমি রাজনীতি ছেঁড়ে দেবো এটা আমার ওপেন চ্যালেঞ্জ।
শফি চৌধুরী তার বক্তব্যে সিলেটবাসীর নয়নমণি গুম হওয়া জননেতা ইলিয়াস ভাইকে জড়িয়ে পাগলের যে প্রলাপ বকেছেন তার প্রতি উত্তরে আমি স্পট ভাষায় বলতে চাই আমাদের নেতা ইলিয়াস ভাই আজ দৃশ্যমান থাকলে আপনার মতো লোক নির্বাচনে দাঁড়ানোর ধৃষ্টতা দেখানোর সাহস পেতোনা।

আমরা যারা আদর্শিক রাজনীতি করি আমাদের কাছে বিএনপি হচেছ আদর্শ আর সুবিধাবাদি বর্ণচোরাদের কাছে রাজনীতি হচেছ ব্যবসা, ধান্ধা, উপরে উঠার সিঁড়ি। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে চাইলে অনেকের মতো আঙুল ফুলে কলাগাছ হতে পারতাম, সে পথে হেটেছি কিনা তা সিলেটবাসী সহ নির্বাচনী এলাকার মানুষ ঠিকই জানে।
আমরা যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তাননেরা আত্বমর্যাদা নিয়ে সক্রিয় রাজনীতি করি আমাদেরকে আমাদের আপনজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা দেশবিদেশ থেকে যুগ যুগান্তর থেকে সহযোগীতা করে আসছেন এবং সহযোগীতা করে যাবেন। আমরাও এই অবদানকে অকপটচিত্তে স্বীকার করি। এ সহযোগীতা ভালোবাসার, গৌরবের, সন্মানের , দয়ার নয়। কিন্ত দুর্ভাগ্য শফি চৌধুরীদের মতো কোটিপতি কৃপনদের সেই কলিজা হয়েছে কিনা আমি জানিনা।

এখানে উল্লেখ্য যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারনে ২০০০ সালে ছাত্র শিবিরের হাতে নির্মমভাবে আহত হয়ে আমি ঢাকায় দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলাম। ঐ সময় আমার মামার বাসায় থাকাকালীন আমাকে শফি চৌধুরী একদিন দেখতে গিয়েছিলেন। সেদিন আমার জন্য কোনো কিছু নিয়ে যেতে পারেননি বলে আমাকে জোর করে ৫ হাজার টাকা দিয়ে এসেছিলেন ( যদিও টাকাটা আমি রাখতে চাইনি ভদ্রতার কারনে সেদিন রেখেছিলাম) । এই ৫ হাজার টাকা মিঃ শফি চৌধুরীর আমার কাছে পাওনা আছেন, চাইলে যেকোনো সময় আমি সুদে আসলে ফেরত দিয়ে দিবো।
ঐ দুঃসময়ের দিনগুলোতে কতিপয় চৌধুরীদের নোংরামি ও মিথ্যার বেসাতির কথা আজো মনে হলে তাদের প্রতি ঘৃনা বেড়ে যায় বহুগুণ। পিজি হাসপাতালে আমার অপারেশনের দিন সকালে এসে সব কিছুর ব্যবস্থা করার কথা বলে না এসে পালিয়ে থাকার কথা চাইলেও ভুলা যায়না। সেদিন আমার ছোট ভাই কামাল সাথে না থাকলে এবং আমার ছোট মামা ( ডাক্তার মামা) এসে অপারেশনের টাকা না দিলে কি হতো জানিনা।

পরবর্তি কালে আমি ও আমার সহযোদ্ধা দের উন্নত চিকিৎসার কাগজপত্র অর্থমন্ত্রী কতৃক সুপারিশ করে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রেরনের মিথ্যা কথাকে ছোট হওয়ায় বিশ্বাস করেছিলাম সরল মনে। কিন্তু সত্য কোনোদিনও গোপন থাকেনা তাইতো ঐ সময় ঢাকায় অবস্থানরত এক সহযোদ্ধার সাথে দেখা হয় চৌধুরী চাচার। তিনি তাকে গাড়িতে তুলে নিলে কিছুদূর পর সে নামতে গিয়ে কাঁদায় জুতা ও জামা ভরে গেলে টিসু খুজতে গাড়ীর সামনের বক্সে টান দেয়।
এসময় টিসুর পরিবর্তে বক্স থেকে বেরিয়ে আসে রক্তাক্ত সহযোদ্ধা ও ছোট ভাইদের চিকিৎসার কাগজের সেই খামগুলো। যা দিয়ে সহযোদ্ধা সুফি জুতা মুছে কাগজগুলো ফেলে আসে ডাষ্টবিনে। আমার কাছে জানতে চায় কাগজগুলো কোন অবস্থায় রয়েছে। আমি সরল বিশ্বাসে বলেছিলাম অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে কাগজগুলো সুপারিশ করিয়ে তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কাগজগুলো ডাষ্টবিনে ফেলে দেওয়ার গল্প শুনে নিজের কানকে সেদিন বিশ্বাস করতে কষ্ট হচিছল। আর এভাবেই মৃত্যু হয়েছিলো বিশ্বাসের।
আজকে এ ধরনের সমস্যা তৈরী হলে বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দুই চারজন মন্ত্রীর সুপারিশ নিয়ে সর্বোচ্চ জায়গা থেকে নেতাকর্মীদের জন্য কাজ আদায় করে নেওয়ার সুযোগ ও সামর্থ্য ইতিমধ্যে তৈরী করে দিয়েছেন মহান আল্লাহতালা।
কঠিন এই দুঃসময়ের মধ্যেও নেতাকর্মী ও তাদের পরিবার পরিজনের বিপদে আপদে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। কাউকে বিপদে ফেলে পালিয়ে যাইনি বরং পাশে থাকার চেষ্টা করি। কতটুকু পারছি জানিনা তবে নিজের ক্ষুদ্র সামর্থ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, বাকিটা আল্লাহ দেখছেন। কখনো কারো কোনো উপকার করে বয়ে বেড়ানোর ( কুটা দেওয়ার) কোনে অব্যাশ ছিলনা এবং আল্লাহ যেন সেই বদ অব্যাশ তৈরি না করান।
গত নির্বাচনের সময় আনেক বড় বড় নেতা, এমপি প্রার্থীরা আসামি না হলেও নিজের ছোট ভাই ( সক্রিয় রাজনীতি না করেও) সহ শত শত নেতাকর্মীরা মিথ্যা মামলায় আসামি হয়েছে, জেল খেটেছে এবং এখনো মামলার গ্লানি এখোনো বয়ে বেড়াচেছ। নিজের জেল খাটা ও নির্যাতত হওয়ার কথা নাইবা বল্লাম।

দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি সবিনয় অনুরুধ নির্বাচন বর্জন করুন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত শফি চৌধুরীকে বয়কট করুন। দলের দায়িত্বশীল কেউ ভাইসাবর লগে গেলে তার প্রমান আমাদেরকে দিয়ে আগাছামুক্ত করতে সহযোগীতা করুন। বর্ণচোরা ও ব্যক্তি পুজারি তৈলবাজদের থেকে সাবধান থাকুন।

আজ এ পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ সহায়।
আজব চরিত্রের অধিকারী একজন শফি চৌধুরীকে নিয়ে ভবিষ্যৎ চাইলে আরো লিখবো। জানার জন্য এবং এদের থেকে বেঁচে থাকার জন্য।

 

কুশিয়ারাভিউ২৪ডটকম/২১ জুন,২০২১/মিজান






এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ





















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k