৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি



শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটির দূর্নীতি বন্ধ হোক

শাকিবুল হাসান
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ জুন, ২০২১


বর্তমানে শিক্ষার মান বিবেচনা হচ্ছে সার্টিফিকেটের গ্রেড পয়েন্ট দ্বারা। এখন একজন অনার্সের ছাত্রকে যদি বলা হয় বাংলা বর্ণমালা কয়টি ও কী কী? দেখা যাবে শতকরা ৫/৬ জন হয়তো পারবে সঠিক উত্তর দিতে। আর বাকি অংশ অক্ষম। অথচ তারা সব মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট গলায় ঝুলিয়ে বেড়াচ্ছে।

এজন্য প্রত্যক্ষভাবে শিক্ষার্থীরা দায়ী নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও এর দায় নিতে হবে। আমাদের দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার মান উন্নত করা একান্ত জরুরী। কারণ একজন ছাত্রের পুরো শিক্ষা জীবনের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়টাই ছাত্রজীবনের মূল ভিত্তি। এদিকে আগে নজর দিতে হবে। অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে তুলনামূলক অদক্ষ এবং অক্ষম পরিচালকদের মাধ্যমে। যেমন, গ্রামের একজন ব্যক্তি আগে রাস্তার কাজ করতেন। একসময় সে অনেক টাকা-পয়সা আয় করে স্কুলে কিছু অনুদান দিয়ে দাতা সদস্যের তালিকায় নিজের নাম সবার উপরে লিখিয়ে ফেলেন। এভাবে ধীরে ধীরে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতেও স্থান করে নেন এবং শুধুমাত্র টাকার জোরে সভাপতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হোন। অথচ তার শিক্ষাগত যোগ্যতা বিচার করলে দেখা যাবে সে সর্বোচ্চ মাধ্যমিক পাশ। কিন্তু দায়িত্বে আছেন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। এরকম একজন ব্যক্তির তত্তাবধানে থাকা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ কি হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। এরকম কর্তৃপক্ষের দ্বারা কখনোই একটি প্রতিষ্ঠানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করা সম্ভব না। সুতরাং দেশে শিক্ষার মান বাড়াতে হলে একদম গোড়া থেকে সুষ্ঠু এবং কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। তাই কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, সঠিক তদারকির মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদ্বারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করুন। নয়তো আমাদের শতভাগ শিক্ষিত জাতির স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে যাবে।


লেখক: শাকিবুল হাসান

শিক্ষার্থী,বরেন্দ্র কলেজ রাজশাহী


কুশিয়ারাভিউ২৪ডটকম/২১ জুন,২০২১/শাকিবুল






এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ





















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k