৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি



শেষ ম্যাচে ২৭ রানে হারলো বাংলাদেশ

কুশিয়ারা ভিউ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

 

দুয়ারে কড়া নাড়ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিউইদের বিপক্ষে সিরিজ শেষে কদিন বিশ্রামে থেকেই বিমান ধরতে হবে ওমান, আরব আমিরাতের। এরইমধ্যে ঘোষণা হয়েছে টাইগারদের বিশ্বকাপ স্কোয়াড।

কিন্তু প্রস্তুতি কতটা হলো এই প্রশ্ন থেকেই যায়। কেন না বিশ্বকাপে খেলতে হবে স্পোর্টিং উইকেটে। যেটা মিরপুরের শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড সিরিজে ছিল অনুপস্থিত।

যদিও কিউইদের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে অনেকটা স্পোর্টিং উইকেট ছিল তাতে হতাশ করেছে বাংলাদেশ দল। কিন্তু কিউইরা ঠিকই খেলেছে স্বাচ্ছ্যন্দে। যেটা ছিল না গত চার ম্যাচে।

আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দুই দল। যেখানে প্রথমে ব্যাট করে সফরকারীরা।

কিউইদের দেয়া ১৬১ রানের জবাবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদরা ৮উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান তুলতে সক্ষম হয়। ফলে টান টান উত্তেজনাকর ম্যাচে ২৭ রানে জিতল নিউজিল্যান্ড।

এদিন কিউইদের বিপক্ষে ব্যাট হাতে শুরুটা ভালোই করেছিল টাইগার দুই ওপেনার লিটন দাস ও মোহাম্মদ নাঈম। কিন্তু দলীয় ২৬ রানে আউট হন লিটন। তিনি ১০ রান করে আউট হন এজাজ প্যাটেলের বলে।

এরপর ক্রিজে আসেন সৌম্য সরকার। তিনি নিউজিল্যান্ড সিরিজে প্রথম চার ম্যাচ ছিলেন না। কিন্তু সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় আজ শেষ ম্যাচে তাকে সুযোগ দেয়া হয়। কিন্তু সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারেনি সৌম্য। তিনি কোল ম্যাকনচির স্পিনে রাচিন রবীন্দ্রর হাতে ক্যাচ তুলে দেন ৪ রান করে। দলীয় ৩৯ রানে মোহাম্মদ নাঈম ২৩ রান করে আউট।

এরপর মুশফিকুর রহিমও ব্যাট হাতে লড়াই করতে পারেননি। তিনি নবম ওভারের পঞ্চম বলে ৩ রান করে সাজঘরে ফিরেন। এরপর রানের চাকা সচল রাখেন মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ। তারা দুজন কিউই বোলারদের পিটিয়ে তুলোধুনো করে জয়ের পথে এগোচ্ছিলেন। কিন্তু দলীয় ১০৯ রানে ছন্দপতন ঘটে। মাহমুদউল্লাহ ২১ বলে ২৩ রান করে সাজঘরে ফিরেন। এরপর শামীম ৫বলে ২রান করে আউট হন। তাসকিন দ্রুত রান তুলতে গিয়ে আউট হন ব্যক্তিগত ৯রানে।

এরপর নিয়মিত উইকেট হারালে আর জয় তুলে নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে আফিফ ৪৯ রান করেন। এদিকে পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে শুক্রবার টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কিউই দলপতি টম লাথাম। ব্যাট হতে শুরুতেই ঝড় তোলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন-রাচিন রবীন্দ্র। তবে পঞ্চম ওভারে দলীয় ৫৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় সফরকারীরা।

শরিফুলের বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ তুলে সাজঘরে ফিরেন রাচিন রবীন্দ্র। তিনি ১২ বলে ১৭ রান করেন। একই ওভারে ফিন অ্যালেনকে বোল্ড আউট করেন শরিফুল। ২৪ বলে ৪১ রান করেন ফিন অ্যালেন।
এরপর দলের হাল ধরার চেষ্টা করেছিলেন টম লাথাম-উইল ইয়ং। কিন্তু আফিফ বেশিদূর এগোতে দেননি। ইয়ংকে দুই অঙ্কের ঘর ছোয়ার আগেই পাঠান সাজঘরে। দলীয় ৭১ রানে আফিফের লেন্থ বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ইয়ং। তার ব্যাট থেকে আসে ৮ বলে ৬ রান। এরপর ক্রিজে আসেন কলিড ডি গ্র্যান্ডহোম। তিনি তাড়াহুড়ো করে খেলতে গিয়ে নাসুম আহমেদের বলে ক্যাচ দেন শামীম হোসেনের হাতে। কলিড ডি গ্র্যান্ডহোম ৮ বলে ৯ রান। এই সিরিজে চতুর্থবার নাসুমের বলে আউট হয়েছেন গ্র্যান্ডহোম।

এরপর ১৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে হেনরি নিকোলসকে ফেরান তাসকিন আহমেদ। ২১ বলে ২১ রান আসে নিকোলসের ব্যাট থেকে। এরপর রানের চাকা সচল রাখেন টম লাথাম। মূলত তার ব্যাটে ভর করেই শতরান তুলতে সক্ষম হয় কিউইরা। সেই সঙ্গে টম লাথাম হাফসেঞ্চুরি করে অপরাজিতা ছিলেন।

 



বাংলাদেশ একাদশ: মোহাম্মদ নাঈম, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও নাসুম আহমেদ।



নিউজিল্যান্ড একাদশ: রাচিন রবীন্দ্র, ফিন অ্যালেন, টম ল্যাথাম (অধিনায়ক), উইল ইয়াং, হেনরি নিকোলস, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, কোল ম্যাককনচি, এজাজ প্যাটেল, স্কট কুগেলেইন, বেন সিয়ার্স, জ্যাকব ডাফি।



 






এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ





















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k