৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি



সিলেট -৩ উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে আ’লীগ প্রার্থী হাবিব জয়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব জয়ী হয়েছেন।প্রয়াত মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে শূন্য হওয়া এই আসনটিতে আজ শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়।

সকাল ৮টা থেকে আসনের ১৪৯টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে দিনভর শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষে হাবিবকে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

বেসরকারিভাবে ৬৫ হাজার ৩১২ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব।

নৌকা প্রতীকে হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন ৯০ হাজার ৬৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান আতিক লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৭৫২ ভোট।

শনিবার রাত ৯টার পর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম এ ফল ঘোষণা করেন।

এ উপনির্বাচনে আরও দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা হলেন-বিএনপির বহিষ্কৃত প্রার্থী শফি আহমদ চৌধুরী (মোটরগাড়ি) ৫১৩৫ এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী যুক্তরাজ্য প্রবাসী জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া (ডাব) ৬৪০।

এদিকে এই জয়ের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রয়াত মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হলেন হাবিবুর রহমান হাবিব । নির্বাচনে ৩০ শতাংশের ওপরে ভোট পড়েছে।

তবে উপনির্বাচনের ভোটদানে ভোটার আগ্রহ একেবারেই কম দেখা গেছে। দু’তিনটি কেন্দ্র বাদে প্রায় সব কেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল হাতে গোনা।

দক্ষিণ সুরমা,বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ নিয়ে গঠিত সিলেট ৩ আসন। গত ১১ মার্চ আওয়ামী লীগের এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস করোনায় মারা গেলে সিলেট-৩ আসন শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। উচ্চ আদালতের নির্দেশে নির্বাচন পেছানোর পর শনিবার ভোটের চূড়ান্ত দিন নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন।

গত ২৯ এপ্রিল প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ভোটের তারিখ ঘোষণার করা হয়। প্রথমে ৮ জুন ভোটের তারিখ নির্ধারণ করলেও করোনার জন্য তা হয়নি। এরপর ১৪ ও ২৮ জুলাই ভোটের দিন চূড়ান্ত হলেও উপনির্বাচন হয়নি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলেও সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। তবে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি শফি আহমদ চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন। এজন্য তাকে বহিষ্কারের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের ভোট কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করে বিএনপি। ফলে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির বিপুল প্রচারের বিপরীতে শফি চৌধুরীকে লড়াই করতে হয় একাই। এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া উপনির্বাচনে প্রার্থী হলেও দীর্ঘ দুই মাসের প্রচারে ভোটাররা তাকে দেখেননি।

 

 






এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ





















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k