৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি



সৌদি আরবে ইয়াবা পাচার চেষ্টা, এক বছর পর মূল হোতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

কুশিয়ারা ভিউ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
মো. আসাদুল্লাহ

প্রায় এক বছর পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইয়াবা পাচার চেষ্টার মূল হোতা মো. আসাদুল্লাহ এক বছর পর গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি টিম রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। তিনি একটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের মালিক।

এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামীম আহমেদ।

শামীম আহমেদ জানান, মঙ্গলবার রাত নয়টার কিছুক্ষণ আগে মো. আসাদুল্লাহকে দক্ষিণখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রায় এক বছর ধরে তিনি কখনো তাঁর গ্রামের বাড়ি জামালপুরের মেলান্দহে, আবার কখনো ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিলেন।

গত বছরের ১৭ অক্টোবর মেসার্স সিয়াম অ্যান্ড সোনি নামের একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির পাঠানো সোয়েটারের কার্টনে তিনি ৩৮ হাজার ইয়াবা সৌদিআরবে পাচারের চেষ্টা করেছিলেন। ওই প্রান্তে কার্টনগুলোর প্রাপক ছিলেন সৌদি আরবের রিয়াদের আবদুল আজিজ আল মোশাররফ।

এ ঘটনায় আগেই সিয়াম অ্যান্ড সোনির মালিক জাহাঙ্গীর গ্রেপ্তার হয়। কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইয়াবা পাচারের অভিযোগ পুরোনো। আসাদুল্লাহ কোনো সিন্ডিকেটের অংশ কি না বা এই কাজে তাঁকে আরো কেউ সহযোগিতা করেছে কি না, সে ব্যাপারে খোঁজ নেয়া হবে।

গত বছর ওই চালানটি জব্দ করার পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আজাদুল ইসলাম ছালাম বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন।

মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন শাহজালাল রপ্তানি কার্গো ভিলেজের ৩ নম্বর স্ক্রিনিং কক্ষে স্ক্রিনিং করার সময় সন্দেহজনক দুই ব্যক্তিসহ ইয়াবাগুলো উদ্ধার করেন। তিনটি কার্টনে ৭৬টি সোয়েটারের আড়ালে ওই ইয়াবা পাচার করা হচ্ছিল।

কর্মকর্তারা জানান, সৌদি আরবগামী একটি উড়োজাহাজে ইয়াবাগুলো পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিলো। সোয়েটারগুলো যে রঙের, সেই একই রঙের কাগজে মুড়িয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা করা হয়েছিল। যেভাবে ওগুলো পাচার করা হচ্ছিল, তাতে মনে হয়েছে আগেও একই উপায়ে তাঁরা পাচার করেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছিল, বাংলাদেশ থেকে ইয়াবা পাচার হচ্ছে। ইয়াবা পাচার বন্ধে বাংলাদেশের একাধিক মন্ত্রণালয় বৈঠকেও বসেছিল।

সৌজন্য: ভোরের কাগজ






এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ





















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k