১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৯শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি



হাওর রক্ষা বাঁধ: ঢিলেঢালে চলছে পিআইসির কাজ

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

কুশিয়ারা ভিউ ডেস্ক: শাল্লায় উপজেলা, নেত্রকোনার কিছু অংশ ও মিঠামইন নিয়ে শুরু হয় হাওর রক্ষা বাঁধের কাজ। নীতিমালায় ১৫ ডিসেম্বরে কাজ শুরু করার কথা থাকলেও হাওরে পানি না কমায় নির্দিষ্ট সময়ে কাজ করতে পারেনি পাউবো। তবে ২৮ ফেব্রুয়ারী কাজ শেষ করার জন্য পাউবো’র পক্ষ থেকে বারবার তাগিদ দেওয়া সত্ত্বেও পিআইসিদের কোনো টনক নড়ছে না। ঢিলেঢালে কাজ করে হাওরের ফসলকে রাখছে হুমকির মুখে। হাওর রক্ষা বাঁধের নীতিমালা অনুসরণ না করেই পিআইসির লোকেরা নিজেদের মত কাজ করে যাচ্ছেন। তবে স্থানীয়দের আশ্বস্থ করছেন ২৮ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে কাজ শেষ করতে পারবেন। এমন ধোকাবাজি কথা শুনতে নারাজ স্থানীয় কৃষকেরা। তাদের অভিযোগ পিআইসির লোকেরা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ধীরগতিতে কাজ করে যাচ্ছেন।

সরজমিনে দেখা যায়, খালিয়াজুড়ী উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বেরী হতে কল্যাণপুর বাজার পর্যন্ত ১৫৩ নং পিআইসির কাজের অবস্থা নাজুক। বাঁধের নিকট থেকেই মাটি কেটে বাঁধকে রাখছে হুমকির মুখে। এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া সাইনবোর্ডটির অর্ধেক অংশে ছিড়ে ফেলা হয়েছে। এতে পিআইসির সদস্যদের তালিকা আড়াল করে রাখা হয়েছে। এই বাঁধে কোনো স্লোপ দেয়অ হয়নি। যাতে করে যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

এদিকে ইটনা উপজেলায় ছায়ার হাওরের পিআইসিগুলোতে এমন অবস্থা। পিআইসি ১৩৭, ১৩৫ ও ১৩৬ নং বাঁধের কোনো স্লোপ ঠিকমতে দেয়া হয়নি। নেই কোনো দুরমুজ। তাই ইটনা উপজেলার দিকে ছাঁয়ার হাওর উপ-প্রকল্পের বাঁধের কাজ নিয়ে এবারও লেজেগোবরের অবস্থা। এছাড়াও বালু মাটি দিয়ে অনেক বাঁধের কাজ করা করা হচ্ছে।
জানা যায়, এবছর শাল্লা উপজেলায় ১৫৬টি পিআইসি গঠন করা হয়েছে। এতে সরকারের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ২৪ কোটি টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ইটনা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের এক কৃষক জানান, বাঁধের কাজ নিয়ে হাসি টাট্টা করছেন পিআইসির লোকেরা। তারা বিল উত্তোলনের জন্য পাগল। কিন্তু কাজের নামে দেখা নেই। আর বাঁধগুলো যেভাবে কাজ করছে তাতে পানি এলে যেকোনো ভেঙ্গে গিয়ে ফসল তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এবিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারি প্রকৌশলী ও শাখা কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম জানান, বারবার পিআইসিদের তাগিদ দেয়া হচ্ছে কাজ শেষ করার জন্য। তবে আশা করা যাচ্ছে আর ৪/৫ দিনের মধ্যে সবকটি বাঁধের কাজ শেষ করা যাবে। এরপরেও তদারকি টিমগুলো বাঁধের কাজের পরিদর্শনে আছেন।






এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ





















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k