১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি



৯ মাসে ট্রেনে পাথর ছোঁড়া হয়েছে ১১০ বার

কুশিয়ারা ভিউ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২১

বিগত ৯ মাসে নিরাপদ ট্রেন যাত্রাকে অনিরাপদ করতে এক শ্রেণীর দুষ্কৃতকারী ১১০ টি ট্রেনে পাথর ছুড়েছে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। তবে রেলওয়েকে দুর্নীতিমুক্ত করতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন।

আজ রবিবার (৩ অক্টোবর) রেলভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে রেলওয়ের নেওয়া ব্যবস্থা এবং রেলওয়ের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে রেলওয়ে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্বে রেলওয়ের দুর্নীতি প্রসঙ্গে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, রেলওয়েতে আগে হয়তো দুর্নীতি ছিল। এখন যে আমরা ধোয়া তুলসিপাতা হয়েছে গেছি, তা মনে করি না। তবে চেষ্টা করছি দুর্নীতিমুক্ত একটি রেলওয়ে গড়ে তোলার। ব্যক্তিগতভাবে আমি এ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। আমার সঙ্গে যারা কাজ করছেন, তারা প্রত্যেকেই চেষ্টা করছেন বলে বিশ্বাস করি। তবে সাংবাদিকদের কাছে দুর্নীতির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্যপ্রমাণ থাকলে আমরা ব্যবস্থা নেবো।

লিখিত বক্তব্যে নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, চলন্ত রেলে পাথর নিক্ষেপ একটি ভয়াবহ সমস্যা। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন রুটে ১১০টি চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রেনের জালানার গ্লাস ভেঙেছে ১০৩টি। আহত হয়েছেন অন্তত ২৯ জন যাত্রী। এ ধরনের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ডসহ উন্নত দেশগুলাতেও ঘটছে। এতে ট্রেনের যাত্রী এবং কর্মীরা আহত হচ্ছেন। এ অবস্থা থেকে আমরা পরিত্রাণ পেতে চাই। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে চাই।

মন্ত্রী বলেন, রেলে যাত্রীদের নিরাপদে যাতায়াত নিশ্চিত করতে ট্রেনের ছাদে যাত্রী বা ভাসমান লোকজন ওঠা বন্ধ হয়েছে। রেল সম্পর্কে বর্তমানে মানুষের একটি ইতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। জনগণের এ ধারণা আমরা ধরে রাখতে চাই। রেলওয়ের সেবার মান বাড়িয়ে ট্রেনকে একটি জনবান্ধব পরিবহনে রূপ দেবো।

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের চারটি জেলার পাঁচটি জায়গা ঝুঁকিপূর্ণ। এলাকাগুলো হলো- চট্টগ্রামের পাহাড়তলী, সীতাকুণ্ড-বাড়বকুণ্ড, ফেনীর ফাজিলপুর-কালীদহ, নরসিংদী, জিনারদী ও ঘোড়াশাল।

পশ্চিমাঞ্চলে চুয়াডাঙ্গা আউটার, নাটোরের আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশন, সিরাজগঞ্জের শহীদ এস মনসুর আলী রেলওয়ে স্টেশন, বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশন, পাবনার মুলাডুলি রেলওয়ে স্টেশন, পঞ্চগড়ের কিসমত, ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া, পাবনার ভাঙ্গুরা রেলওয়ে স্টেশন, বগুড়ার ভেলুরপাড়া রেলওয়ে স্টেশন, গাইবান্ধার বামনডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন, জয়পুরহাটেরর আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশন, সিরারগঞ্জের উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশন, সিরাজগঞ্জ জেলার সলপ রেলওয়ে স্টেশন, জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন, পাবনার বড়ালব্রিজ রেলওয়ে স্টেশন, খুলনার ফুলতলা রেলওয়ে স্টেশন এলাকা। এসব এলাকায় এরই মধ্যে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপরোধে বিভিন্ন কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

সৌজন্যঃ ভোরের কাগজ






এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ





















© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
themesbazar_brekingnews1*5k